বিট ফল খাওয়ার নিয়ম - বিটরুট ব্যবহারের নিয়ম
বিটরুট হলো এমন একটি ফল বা সবজি যার দ্বারা রক্তের ঘাটতি দূর হয়। বিটরুট খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। এটি প্রতিদিন বা সপ্তাহে ৪-৫ দিন খাওয়া যেতে পারে। এই সবজি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনই মানবদেহের জন্য জরুরি একটি সবজি।
আমরা হয়তো অনেকে বিটরুট চিনিনা বা কখনো খাইনি। তাই আমরা অনেকে এর খাওয়ার নিয়ম বা ব্যবহার সম্পর্কেই জানিনা। আর তাই আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি বিটরুট খাওয়ার নিয়ম ও ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে আমাদের এই আর্টিকেল। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটরুট এর ব্যবহার সম্পর্কে।
সূচিপত্রঃ বিটরুট ব্যবহারের নিয়ম
- বিটরুট খাওয়ার নিয়ম
- বিটরুট কখন খাওয়া উচিত
- প্রতিদিন বিটরুট খাওয়া যাবে কি?
- বিটরুট কাদের খাওয়া উচিত নয়
- বিট ফলের পুষ্টি উপাদান ও এর উপকারিতা
- বিটরুটের জুস বানানোর নিয়ম
- বিটরুটের পাউডার বানানোর নিয়ম
- বিটরুট খেলে কি কিডনির ক্ষতি হয়
- চেহারা সুন্দর করার জন্য বিটরুটের ব্যবহার
- লেখকের শেষ মন্তব্য
বিটরুট খাওয়ার নিয়ম
বিটরুট ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর। বিটরুট নামের গাঁড়ো গোলাপি বা লালচে রঙের
সবজিটি আমদের বাংলাদেশে সব জায়গায় এখনও পরিচিত না। তাই এর খাওয়ার নিয়মও আমরা
অনেকে জানিনা। শীতকালে এই সবজির উৎপাদন বেশি হলেও এখন প্রায় সারাবছরই এই সবজির
দেখা মিলে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটরুট খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে কয়েকটি
উপায়ঃ
- কাঁচা খাওয়ার নিয়মঃ বিটরুট কুচি করে কেটে নিয়ে অন্যান্য সবজির সাথে সালাদ হিসেবে খাওয়া যায়। এর পুষ্টিগুণ অনেক।
- জুস বা শরবতঃ সবচেয়ে জনপ্রিয় নিয়ম হলো ব্লেন্ডারে জুস করে খাওয়া। স্বাদ ও কার্যকারিতা বাড়াতে বিটরুটের সাথে গাজর, আপেল, লেবুর রস বা আদা মিশিয়ে নিতে পারেন।
- সেদ্ধ করে খাওয়াঃ খুব বেশি সময় ধরে সেদ্ধ করবেন না, এতে পুষ্টিগুণ কমে যায়। অল্প সেদ্ধ করে নামিয়ে খাওয়া ভালো।
- বিটরুটের গুঁড়োঃ প্রথমে কেটে, রোদে শুকিয়ে, গুঁড়ো করে নিন। এই গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে জুস করেও খাওয়া যায়।
বিটরুট কখন খাওয়া উচিত
বিটরুটের বৈজ্ঞানিক নাম "বেটা ভালগারিস"। বিট আঁশ জাতীয় খাবার। বিটে থাকা
ফাইবার খাবার হজমে সাহায্য করে। তবে বিটরুট কারো কারো জন্য ক্ষতির কারণ হয়েও
দাড়ায়। তাই বিটরুট খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় আছে। সময় মেনে পরিমাণমতো খেলে কিছু
হয়না। চলুন জেনে নেই কখন বিটরুট খাওয়া উচিত।
- সকালে খালি পেটেঃ সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে যদি ১ গ্লাস বিট ফলের রস খাওয়া যায় তাহলে এটির পুষ্টিগুণ খুব ভালোভাবে শরীরের ওপর পড়ে। বিট ফল গাজর বা আমলকীর সাথেও কুচি করে কেটে খেতে পারেন।
- রাতে বিট ফল খাওয়ার নিয়মঃ রাতে ১ গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ মধু ও ৪ গ্রাম বিট ফলের গুঁড়ো মিক্সড করে খেতে পারেন।
- ব্যায়াম করার আগেঃ ব্যায়ামের ২-৩ ঘণ্টা আগে বিটের রস খেলে এতে থাকা নাইট্রেট শরীরের কর্মক্ষমতা ও স্ট্যামিনা বাড়ায়।
- দুপুরে খাবারের সাথেঃ সালাদ হিসেবে দুপুরের খাবারের সাথে বিট ফল খেলে তা হজমে সহায়তা করে।
প্রতিদিন বিটরুট খাওয়া যাবে কি?
প্রতিদিন বিটরুট খাওয়া যাবে তবে সেটা পরিমাণ মতো। বেশি খেলে আবার অসুস্থ হয়ে
পড়তে পারেন। প্রতিদিন বিটরুটের জুস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, স্ট্যামিনা বৃদ্ধি ও লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
তবে কিডনি পাথরের ঝুঁকি এবং প্রেসার অতিরিক্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কায় পুষ্টিবিদরা
প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে ৪-৫ দিন খাওয়ার পরামর্শ দেন।
অতিরিক্ত বিট ফল সেবনে প্রস্রাব লাল হওয়া স্বাভাবিক। বিটরুটে থাকা নাইট্রেট
রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তচাপ কমায় এবং প্রচুর ফাইবার হজমে সহায়তা করে।
এটি আয়রন, পটাশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর চমৎকার উৎস। কিডনিতে
পাথরের সমস্যা, লো প্রেসার বা বিটে অ্যালার্জি থাকলে বিটরুট না খাওয়াই
ভালো। প্রতিদিন এক - দুই টুকরো বা সপ্তাহে চার - পাঁচ দিন এক গ্লাস বিট
ফলের জুস খাওয়া নিরাপদ। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত বিট খাওয়া স্বাস্থ্য ঝুঁকি
তৈরি করতে পারে।
আরও পড়ুনঃ
নিম পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা
বিটরুট কাদের খাওয়া উচিত নয়
বিটরুট যে সবার জন্য সবসময় ভালো তা নয়। বিটরুট কারোর কারোর জন্য ক্ষতিকরও হতে
পারে। তাই যে লক্ষণগুলোর কারণে বিটরুট খাওয়া উচিত নয় সেগুলো না জেনে বিটরুট
খাবেন না। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে বিট ফল এড়িয়ে চলাই ভালো। যেমনঃ
- কিডনিতে সমস্যা থাকলে বিটরুট খাওয়ার আগে সাবধান হতে হবে। বিটরুটে বিদ্যমান অক্সালেট শরীরের ক্যালসিয়ামের সংস্পর্শে এসে কিডনিতে ক্যালসিয়াম অক্সাইড নামে পাথর তৈরি করতে পারে। তাই যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা আছে তাদের বিটরুট খাওয়ার ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।
- প্রচুর ফাইবার থাকায় কোন কোন ক্ষেত্রে পরিপাক ক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায় বিটরুট। বমি বমি ভাব, পেটে গ্যাস হওয়া, ডায়রিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- অস্টিওপোরোসিস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির বিটরুট খাওয়া যাবে না। কেননা হাড়ে ক্যালসিয়াম শোষণে যথেষ্ট পরিমাণে বাধা সৃষ্টি করে বিটরুট।
- যারা নিম্ন রক্তচাপে ভুগছেন বিটরুট খেলে রক্তচাপ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- বিটরুটে যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের বিটরুট না খাওয়াই ভালো।
বিট ফলের পুষ্টি উপাদান ও এর উপকারিতা
বিটরুট একটি পুষ্টিকর সুপার ফুড, যা ক্যালরি কম কিন্তু প্রয়োজনীয় ভিটামিন
ও খনিজ উপাদানে ভরপুর। এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটি সবজি, তাই
আমাদের কম বেশি সকলেরই এটি খাওয়া উচিত। এর পুষ্টিগুণ অনেক, নিচে এর পুষ্টি
উপাদান ও উপকারিতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হলোঃ
- বিটরুটের প্রধান পুষ্টি উপাদানঃ ১০০ গ্রাম সেদ্ধ বিটরুটে সাধারণত ৪৪ ক্যালরি ১.৭ গ্রাম প্রোটিন, ২ গ্রাম ফাইবার এবং ০.২ গ্রাম ফ্যাট পাওয়া যায়। এছাড়াও এতে রয়েছে ফোলেট যা কোষের বৃদ্ধি ও কাজের জন্য জরুরী, পটাশিয়াম যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ভিটামিন সি যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম যেটা শরীরের কার্যকারিতা ঠিক রাখে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা শরীরের প্রদাহ কমায়।
- বিট রুটের উপকারিতাঃ বিট রুটের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, স্ট্যামিনা বা শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে, হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা করে, লিভারকে সুস্থ রাখে এবং শরিরের টক্সিন দূর করে, রক্তস্বল্পতা দূর করে, হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি। বিটরুট শরীরের জন্য উপকারী হলেও একটানা খাবেন না, বরং সপ্তাহে ৪-৫ দিন খেলে বেশি উপকার পাবেন।
বিটরুটের জুস বানানোর নিয়ম
বিটরুট জুস নাইট্রেট, পটাসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন সি এর একটি দুর্দান্ত
উৎস। যা বিভিন্ন ধরনের অসুখ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর একটি খাবার। এটি
নিয়মিত পানে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
নিচে বিটরুটের জুস তৈরির নিয়ম দেওয়া হলোঃ
- উপকরণঃ ১টি বিটরুট, ১টি আপেল বা গাজর, ১ ইঞ্চির মতো আদা, ২ চামচ লেবুর রস, বিট লবণ (স্বাদমতো) এবং ১ কাপ জল।
- প্রস্তুতিঃ বিটরুট ও অন্যান্য সবজি ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।
- ব্লেন্ডিংঃ ব্লেন্ডারের কাটা বিটরুট, আপেল, গাজর, আদা এবং জল দিয়ে কয়েক মিনিট ধরে স্মুথ হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন।
- ছাঁকন ও পরিবেশনঃ মিশ্রণটি একটি ছাঁকনি বা সুতির কাপড় দিয়ে ছেঁকে জুস আলাদা করে নিন। সর্বশেষে লেবুর রস ও বিট লবণ মিশিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।
বিটরুটের পাউডার বানানোর নিয়ম
বিটরুটের পাউডার হলো প্রাকৃতিক বিট ফল বা বিটরুট থেকে তৈরি করা একধরনের
গুঁড়ো, যা বিটের পুষ্টিগুণ ধরে রাখে এবং সহজেই বিভিন্ন কাজে ব্যবহার
করা যায়। এটি জুস, কেক, রুটির আটা বা সালাদে মিশিয়ে খাওয়া যায়। এটি
ফেসপ্যাক হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। নিচে বিটরুটের পাউডার বানানোর নিয়ম
দেওয়া হলোঃ
- পরিষ্কার ও কাটাঃ ৩-৪টি মাঝারি আকারে টাটকা বিটরুট ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। খুব পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন বা গ্রেটার দিয়ে গ্রেট করে নিন। এতে দ্রুত শুকাবে।
- শুকানোঃ পরিষ্কার সুতির কাপড়ের ওপর পাতলা করে বিছিয়ে ২-৩ দিন করা রোদে দিন যতক্ষণ শুকনো ও মচমচে হয়। বা আপনি চাইলে ওভেনেও শুকিয়ে নিতে পারেন যতক্ষণ না মচমচে হয়।
- গুঁড়ো করাঃ শুকনো বিটের টুকরো মিক্সার ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি পাউডার তৈরি করুন।
- চালা ও সংরক্ষণঃ পাউডারটি চেলে নিয়ে একটি শুকনো বায়ুরোধী কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
আরও পড়ুনঃ
অল্প পড়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায়
বিটরুট খেলে কি কিডনির ক্ষতি হয়
বেশিরভাগ মানুষের জন্য বিট এবং বিটের রস একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও
জীবনধারার দারুণ সংযোজন হতে পারে। কিন্তু, যদি আপনার কিডনিতে পাথর বা
কিডনি রোগের ইতিহাস থাকে, তবে নিয়মিত বিট এবং বিটের রস খাওয়ার পরিমাণ
সীমিত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। কিডনি রোগীরা মাঝেমধ্যে পরিমিত
পরিমাণে খেতে পারবেন, তবে অতিরিক্ত গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত।
যাদের কিডনিতে পাথর বা ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথরের প্রবণতা আছে, তাদের
বিটরুট না খাওয়াই ভালো। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) রোগীদের ক্ষেত্রে
পটাশিয়াম জমা হয়ে হাইপারক্যালেমিয়া হতে পারে, তাই সতর্ক থাকা
প্রয়োজন। বিটরুট সেদ্ধ করে খেলে এর অক্সালেট প্রায় ৮০% পর্যন্ত কমে
যায়। সপ্তাহে অল্প ২-৩ বার খাওয়া যেতে পারে, তবে প্রতিদিনের খাদ্য
তালিকায় রাখা যাবে না।
চেহারা সুন্দর করার জন্য বিটরুটের ব্যবহার
চেহারা সুন্দর ও উজ্জ্বল করতে বিটরুট একটি দারুণ প্রাকৃতিক উপাদান, যা
ত্বকের কালচে দাগ দূর করে, বলিরেখা কমায় এবং প্রাকৃতিক গোলাপি আভা এনে
দেয়। এটি মূলত ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি
করে। বিটরুট দিয়ে ত্বক সুন্দর করার সেরা উপায় সমূহ নিচে দেওয়া হলোঃ
- ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ফেসপ্যাকঃ ১ চা চামচ বিটরুটের সাথে এক টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে মুখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ট্যান বা রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ১ চা চামচ বিটরুটের রসের সাথে ১ চা চামচ বেসন মিশিয়ে মুখে লাগালে মুখ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
- ডার্ক সার্কেল দূর করতেঃ রাতে ঘুমানোর আগে বিটরুটের রস তুলোর সাহায্যে চোখে চারপাশে লাগান। এটি ডার্ক সার্কেল বা চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
- ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতেঃ বিটরুটের রসের সাথে কয়েক ফোটা লেবুর রস বা মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট নরম ও প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়।
- ত্বক ডিটক্সিফাই করতেঃ প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস বিট রুটের রস পান করলে শরীর ভেতর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়, যার ফলে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল হয়।
- স্কিন টোনার হিসেবেঃ ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা বিট জুস তুলার সাহায্যে মুখ ও গলায় লাগালে তা লোমকূপ পরিষ্কার রাখে এবং ত্বকের পুষ্টি যোগায়। বিটরুটের রস কাপড়ে লাগলে জেদি দাগ হতে পারে, তাই ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন। এছাড়া এটির নিয়মিত ব্যবহারেে ত্বকে স্বাভাবিক আভা আসে।
লেখকের শেষ মন্তব্য
আমরা আজকের এই আর্টিকেল থেকে বিট ফল খাওয়ার নিয়ম বা বিটরুট ব্যবহারের
নিয়ম সম্পর্কে খুব ভালভাবেই জেনে গেলাম। বিটরুটের রস সত্যি আমাদের
স্কিনের গ্লো বাড়ায়। তাই আপনিও যদি বিটরুটের জুস, গুঁড়ো বা এর
ব্যবহারগুলো সম্পর্কে ভালো করে আয়ত্ত করতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি
সম্পূর্ণ পড়ুন। এরকম আরও আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই
থাকুন। ধন্যবাদ।
.jpg)
.jpg)
.jpg)
ইনফরমেশন বাজারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url