অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আপনি কি আপনার অতিরিক্ত ওজনের জন্য টেনশনে আছেন? কিছুতেই আপনার অতিরিক্ত ফ্যাট কমছে না? তাহলে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার নিয়মিত খেয়ে দেখুন, এটি আপনার অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে সাহায্য করবে। এটা শরিরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফিট রাখতে সাহায্য করে।

ভিনেগার

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার হলো অ্যাপেলের রস থেকে তৈরি এক ধরনের ভিনেগার, যা অতিরিক্ত ওজন কমানো, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে। আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানবো অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার নিয়ম এবং এর উপকারিতা ও অপকারিতা।

সূচিপত্রঃ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার কি?

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার (Apple Cider Vinegar বা  ACV) হলো চূর্ণিত অ্যাপেল থেকে ফার্মেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি এক ধরনের স্বাস্থ্যকর ভিনেগার, যা মূলত অ্যাসিটিক অ্যাসিড ও পানির মিশ্রণে তৈরি হয়। এতে ওজন কমানো, হজম শক্তি বৃদ্ধি, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং ত্বকের যত্নে বহুল ব্যবহৃত একটি প্রাকৃতিক উপাদান। আপেলের রসকে প্রথমে অ্যালকোহলে এবং পরে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তর করা হয়। 

অনেক ভালো মানের ভিনেগারে 'মাদার' থাকে, যা এনজাইম, প্রোটিন এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া সমৃদ্ধ একটি ঘোলাটে অংশ। এটি সালাদ ড্রেসিং, রান্নায় এবং স্বাস্থ্য পানীয় হিসেবে (পানির সাথে মিশিয়ে) খাওয়া হয়। এটি হজম উন্নত করে, কোলেস্টেরল কমায় এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুনাগুণসম্পন্ন। অতিরিক্ত সেবনে গলা জ্বালাপোড়া বা পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই সবসময় এটি পানির সাথে পাতলা করে বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার উপকারিতা

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ওজন কমাতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এবং হজম শক্তি বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী। এটি শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় ও মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো নিচে দেওয়া হলোঃ

  • ওজন নিয়ন্ত্রণঃ এটি দ্রুত পেট ভরার অনুভূতি দেয়, যার ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। এটি অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে।
  • রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণঃ খাবার গ্রহণের পর রক্তে শর্করার মাত্রা (গ্লুকোজ স্পাইক) বাড়াতে বাধা দেয়। এটি ডাইয়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
  • হজম শক্তি বৃদ্ধিঃ এটি পাকস্থলীতে প্রয়োজনীয় আসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং বদহজম, গ্যাস ও এসিডিটি দূর করতে সাহায্য করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ এতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও    ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
  • কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণঃ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাই গ্লিসারাইড এর মাত্রা কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে এটি অনেক উপকার করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার অপকারিতা

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের মাধ্যমে মানুষের শুধু উপকার হয় এমনটা নয় এর কিছু অপকারও রয়েছে। অতিরিক্ত বা ভুল নিয়মে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষয়, গলা জ্বালাপোড়া,   পেট ব্যথা, হজমের সমস্যা ইত্যাদি হতে পারে। এটি উচ্চ মাত্রার অ্যাসিডিক হওয়ায়, দীর্ঘমেয়াদী প্রতিদিন খেলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো নিচে দেওয়া হলোঃ

  • দাঁতের ক্ষতিঃ ভিনেগারের এসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে এবং দাঁতের সংবেদনশীল ও ভঙ্গুর করে তোলে।
  • হজম ও পেটের সমস্যাঃ এটি পরিপাকতন্ত্রে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে, বমি বমি ভাব, আলসার ও বুক জ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে।
  • পটাশিয়ামের মাত্রা কমানোঃ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার শরীরের পটাশিয়াম লেভেল কমিয়ে দিতে পারে, যা পেশি দুর্বলতা বা পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়। 
  • হাড়ের ক্ষতিঃ অতিরিক্ত অ্যাসিড শরীর থেকে পটাশিয়াম ও খনিজ শুষে নিয়ে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর করে দিতে পারে।
  • ওষুধের সাথে বিক্রিয়াঃ ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের সাথে এটি বিক্রিয়া করতে পারে এবং রক্তে শর্করা ও পটাশিয়ামের মাত্রা অস্বাভাবিক ভাবে কমিয়ে দিতে পারে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার সঠিক নিয়ম

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হজমে সহায়তার জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার সঠিক নিয়মগুলো আমাদের সবার জেনে রাখা প্রয়োজন। এটা খাওয়ার সঠিক নিয়ম গুলো নিচে দেওয়া হলোঃ
 
  • কখন খাবেনঃ প্রধান খাবারের (যেমনঃ দুপুরের বা রাতের খাবার) ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। 
  • পরিমাণঃ ১ গ্লাস (২৫০ মিলি) হালকা গরম বা সাধারণ পানিতে ১ থেকে ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিতে হবে। 
  • শুরুর ধাপঃ যারা নতুন খাচ্ছেন তারা ১ চা চামচ দিয়ে শুরু করবেন।
  • খাঁটি ভিনেগার খাবেন নাঃ এটা সরাসরি পান করা যাবে না। সব সময় পানিতে বা অন্য কোন পানীয়র সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। 
  • স্ট্র ব্যবহার করুনঃ পান করার সময় স্ট্র ব্যবহার করা দাঁতের সুরক্ষার জন্য ভালো। 
  • খালি পেটে খাবেন নাঃ খালি পেটে আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়া উচিত নয়, এতে অনেকের গ্যাসের সমস্যা বা বদহজম হতে পারে।
  • খাওয়ার পরপরই ঘুমাবেন নাঃ ভিনেগার খাওয়ার পর অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট শুয়ে পড়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি এসিড রিফ্লাক্স বা বুক জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার কতদিন খাওয়া যায়

সাধারণভাবে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ২-৩ মাস পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে, তবে একটানা দীর্ঘদিন খাওয়ার আগে বিরতি দিতে হবে এবং শরীরের অবস্থা লক্ষ্য করতে হবে। একটানা বেশি দিন বা বেশি পরিমাণে খেলে আমাদের শরিরে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমনঃ দাঁতের এনামেল ক্ষয়, গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি, গলা জ্বালাপোড়া করা, শরীরে পটাশিয়াম কমে যাওয়া, এমনকি কিছু ওষুধের (ডায়াবেটিস) সাথেও বিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

যাদের আলসার বা তীব্র গ্যাস্ট্রিক আছে, যাদের রক্তচাপের সমস্যা আছে, যারা ডায়াবেটিসের ঔষধ খান এবং যারা গর্ভবতী বা ছোট বাচ্চা আছে, এসব মানুষদের সতর্ক থাকা ভালো এবং অ্যাপেল সিডার ভিনেগার না খাওয়াই ভালো। অনেকে ৮-১২ সপ্তাহ খেয়ে ২-৪ সপ্তাহ বিরতি দেন। তারপর আবার খাওয়া শুরু করেন। এটাই সব থেকে ভালো নিয়ম অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার কোনটা ভালো

বাংলাদেশের সেরা ও জনপ্রিয় অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের মধ্যে Bragg Organic Apple Cider Vinegar অন্যতম, যা 'উইথ মাদার' হওয়ায় সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর। অর্গানিক এবং খাঁটি মানের জন্য এটি সুপরিচিত। সাধারণ মানুষদের সেরা ব্র্যান্ড এবং পছন্দ সমূহ হলোঃ 

  1. সেরা সার্বিকঃ Bragg Organic Apple Cider Vinegar -সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত। 
  2. বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্র্যান্ডঃ Vigor এবংKarkuma Organic Apple Cider Vinegar. 
  3. বাজেট বান্ধবঃ Kevala Organic বা Daraz -এ উপলব্ধ বিভিন্ন "with mother" ভিনেগার। 
কেন 'উইথ মাদার' বা মাদারসহ ভিনেগার কিনবেন? 'মাদার' হলো উপকারী ব্যাকটেরিয়া, এনজাইম এবং প্রোটিনের একটি মিশ্রণ, যা ভিনেগারকে ঘোলাটে দেখায়। এটি স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপকারী।
ভিনেগার

অস্টিওপোরোসিস হলে কি অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়া যায়

পাঁচটি ও পরশে হাই এর ক্ষয়ের হাড়ের ক্ষয় রোগ থাকলে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো কারণ অতিরিক্ত বার নিয়মিত বিনিকা সেবনের ফলে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম ও খনিজ উপাদান বের হয়ে যেতে পারে যা হারের ঘনত্ব কমিয়ে কষ্ট করে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে হাড়ের সুরক্ষা এবং অষ্টপ্রোসিস প্রতিরোধে আপনার খাদ্যাভাস কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার হারের ক্ষয় রোধ বিক্রি করতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ছোট মাছ এবং সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করুন নির্বাচন চিকিৎসকের পরামর্শ ভিনিগারে মতো এসিডে খাবার হাড়ের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে আপনার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নির্ধারণ করতে অথবা নিরাপদ বিকল্প জানতে কোন পোস্টে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন স্বাস্থ্যকর খাতা-ভাস কিভাবে করতে পারে

বাড়িতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বানানোর নিয়ম

বাড়িতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বানালে সেটা পরিষ্কার এবং অর্গানিক হয়। তাই আপনিও যদি ভিনেগার বানাতে চান, তাহলে এই অংশটি সম্পূর্ণ পড়ুন। সহজে ও ধাপে ধাপে ভিনেগার তৈরির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিচে দেওয়া হলোঃ

  1. প্রয়োজনীয় উপকরণঃ আপেল, চিনি, পানি, একটি বড় কাঁচের জার, সুতি কাপড় বা পাতলা সুতার জাল এবং রাবার ব্যান্ড। 
  2. আপেল প্রস্তুত করাঃ আপেল গুলো ভালো করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। আপেলের খোসা ও বীজ ফেলার প্রয়োজন নেই কারণ এগুলোতে প্রাকৃতিক ফার্মেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ার উপাদান থাকে।
  3. জারে উপাদান মেশানোঃ কাঁচের জারের অর্ধেক বা তিন ভাগের দুই ভাগ আপেলের টুকরো দিয়ে ভর্তি করুন। এবার চিনির সাথে পানি মিশিয়ে (১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ চিনি হিসেবে) জারে ঢেলে দিন। আপেল গুলো যেন পুরোপুরি পানির নিচে ডুবে থাকে।
  4. জারের মুখ বাঁধাঃ জারের মুখ ধাতব ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করবেন না। জারের মুখে একটি সুতি কাপড় বা টিস্যু পেপার দিয়ে রাবার ব্যান্ড দিয়ে শক্ত করে বেঁধে নিন।
  5. প্রথম ফার্মেন্টেশন (১-২ সপ্তাহ)ঃ জারটিকে সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে না এমন একটি উষ্ণ ও অন্ধকার জায়গায় (যেমনঃ কিচেন কেবিনেট) ৭ থেকে ১৪ দিনের জন্য রেখে দিন। প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন একবার করে জারের মুখ খুলে একটি পরিষ্কার চামচ দিয়ে অ্যাপেল গুলো একটু নেড়ে দিন।
  6. ছেঁকে নেওয়া (দ্বিতীয় ফার্মেন্টেশন)ঃ ১০ থেকে ১৪ দিন পর আপেল গুলো সরিয়ে ফেলুন। এবার অবশিষ্ট তরল অংশটি একটি ছাকনি বা পাতলা কাপড়ের সাহায্যে ছেঁকে আরেকটি পরিষ্কার কাঁচের জারে ঢেলে নিন।
  7. ভিনেগার প্রস্তুত হওয়াঃ জারটি আগের মতোই সুতি কাপড় দিয়ে ঢেকে আবার সেই উষ্ণ ও অন্ধকার জায়গায় রেখে দিন। এভাবে আরও ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ রেখে দিন। মাঝে মাঝে গন্ধ ও স্বাদ পরীক্ষা করে দেখুন। যখন এর গন্ধ ঝাঁঝালো ও টক হয়ে যাবে, তখন বুঝবেন আপনার আপেল সিডার ভিনেগার তৈরি। 
  8. সংরক্ষণঃ তৈরি হয়ে গেলে জারটি টাইট ঢাকনা দিয়ে সাধারণ তাপমাত্রায় (রুম টেম্পারেচার) সংরক্ষণ করুন। অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অনেক দিন ভালো থাকে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার কিভাবে কাজ করে

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মূলত এর মূল উপাদান অ্যাসিটিক এসিডের মাধ্যমে কাজ করে। গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি এই এসিড মানবদেহে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। এটি মূলত আপনার খাবার রুচি কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এটি পেটের এসিড উৎপাদন বাড়ায়, যা খাবারকে সহজে ভেঙে হজম করতে এবং পুষ্টি শোষণে সাহায্য করে। 

এটি খাবার হজমের গতি কিছুটা ধীর করে দেয়, যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে না। এটি হজমের হার কমিয়ে পাকস্থলী ভরা থাকার অনুভূতি দীর্ঘায়িত করে। ফলে ক্যালোরি গ্রহণ কমে যায় এবং ফ্যাট বার্ন হতে সাহায্য করে। এটি খারাপ কোলেস্টেরল(LDL) ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সহায়তা করে। অ্যাসিডিক হওয়ার কারণে এটা সরাসরি পান করা উচিত নয়। সব সময় ১ গ্লাস পানিতে ১-২ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে পান করতে হবে।

লেখকের শেষ মন্তব্য 

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার আপনার খাবার রুচি কমিয়ে দিয়ে আপনার শরীর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, আপনার অতিরিক্ত ওজন বা ফ্যাট কমিয়ে রাখে। আজকের এই আর্টিকেলে যে নিয়ম গুলো দেওয়া হয়েছে এই নিয়ম অনুসরণ করে যদি আপনি অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খান তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে আপনি ভালো একটা রেজাল্ট দেখতে পাবেন। এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটকে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইনফরমেশন বাজারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url